Difference between revisions 1189298 and 1189310 on bnwiki

{{db-vandalism}}
টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপে এক ব্যক্তির রহস্য জনক ঘন ঘন বিদেশ সফর এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত ব্যক্তি চোরাইপথে মালয়েশিয়া আদম পাচার, অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রশয় ও তাদের জন্য তহবিল সংগ্রহসহ দেশদ্রোহী বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত রয়েছে বলে এলাকাবাসীর সুত্রে জানা গেছে। এ ব্যাপারে আইন শৃংখলা বাহিনী প্রশাসন ও গোয়েন্দা নজরদারী দরকার বলে এলাকাবাসী দাবী করেছেন। স্থানীয় লোকজন জানান- শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিন পাড়ার হাকিম আলী খলিফার পুত্র মৌঃ কলিম উল্লাহ প্রতিমাসে ৪/৫ বিদেশ সফর করেন। আয়ের কোন উৎস নেই। অথচ তার সফরের তালিকায় পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও আরব আমিরাতসহ ১৬টি রাষ্ট্র রয়েছে। এসব রাষ্ট্রে নিয়মিত যাতায়াত ও সন্দেহ জনক চলাফেরায় অনেককে ভাবিয়ে তুলেছে। বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়- তার নামে ভিন্ন ভিন্ন ঠিকানায় ২টি পাসপোর্ট রয়েছে। এক সাথে ২টি পাসপোর্ট ব্যবহার আইন বহির্ভুত। তার আসল কাজ কি ঘন ঘন বিদেশ যাতায়াতের খরচ যোগাগান দেয় কি ভাবে? এ প্রশ্নের উত্তরে বেরিয়ে আসে অনেক অজানা তথ্য। বিভিন্ন দেশে রোহিঙ্গাদের সাহার্যার্থে অনেক সংগঠন রয়েছে। এসব সংগঠন থেকে বায়তুল মাল কালেকশন করে বাংলাদেশে ব্যবহার করাই তার মূল কাজ। দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সু-কৌশলে কয়েক বছর ধরে কাজ চালিয়ে গেলেও এলাকাবাসীর নজরে পড়ে। সম্প্রতি মিয়ানমারে বৌদ্ধ-মুসলিম দাঙ্গার সূত্র ধরে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড সফর করে কয়েকদিন পূর্বে দেশে ফিরেছে। টেকনাফ সীমান্তের কতিপয় সন্দেহ জনক ব্যক্তিসহ গোপন বৈঠক শেষে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি স¤পন্ন করে। কক্সবাজারে সাংবাদিক সম্মেলন থেকে ৭জনকে পুলিশ গ্রেফতারের পর উক্ত কলিম উল্লাহ তার সহযোগীসহ গা ঢাকা দিয়েছে। বর্তমানে তারা আমিরাবাদ তেন্ডল পাড়া নমক একটি গ্রামে বসে নতুন ভাবে পরিকল্পনা করছে বলে জানা যায়। এব্যাপারে কলিমুল্লাহর (০১৮১৭০৫৭৭৯৩) মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এখন দূরে আছি পরে কথা বলবেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। স্থানীয় সচেতন মহল তার সন্দেহ জনক বিদেশ সফর নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে খতিয়ে দেখার দাবী জানিয়েছেন। #