Difference between revisions 2837460 and 2838352 on bnwiki

{{তথ্যছক ব্যক্তি
| name           = শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়া
[[File:শাহ মোহাম্মদ ইস্কন্দর মিয়া.jpg|thumb]]
| birth_date     = {{Birth date|1936|1|15|df=yes}} [[জগন্নাথপুর উপজেলা]]
| birth_place    = [[সুনামগঞ্জ জেলা]], [[সিলেট বিভাগ]], [[বাংলাদেশ]]
| death_place    = ১৪ আগষ্ট ২০১৭ [[সিলেট]], [[বাংলাদেশ]]
| occupation     = ''মরমী [[সাধক]]'' [[গীতিকার]] ''প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক
(contracted; show full)

==সম্মাননা পুরস্কার==
একজন মরমী কবি হিসেবে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য মহাকবি [[সৈয়দ সুলতান]] সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদ সুলতাশী হাবেলী হবিগঞ্জ তাঁকে ২০০১ সালে  পুরস্কার প্রদান করে। ২০০৬ সালে সিলেট একাডেমি ইউকে অ্যান্ড ইউরোপ কবিকে সম্মাননা প্রদান করেছে । <ref name="স্মারক" />



==গুণিজনদের অভিমত==
অধ্যাপক মুহাম্মদ [[আসাদ্দর আলী]], বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত, সিলেটের লোকজ ঐতিহ্যের আজীবন অনুসন্ধানী গবেষক ।<br />
[[File:Ashaddor ali.jpg|50px| thumb|আসাদ্দর আলী]]
হযরত শাহজালাল রাহঃ ও তিনশ ষাট আউলিয়ার পুণ্য পদস্পর্শধন্য সিলেট । সূফী সাধনা ও মরমী সাহিত্যে সিলেট বিভাগের পীর ফকির সূফী সাধক বাউল বৈরাগীদের অবদান বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য । হাজারও মরমী কবিদের আবির্ভাব ও তিরোভাবের অব্যাহত ধারায় সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার তেরাউতিয়া গ্রাম নিবাসী পীর শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়া একজন বাউল কবি হিসেবে দেশ বিদেশে সুপরিচিত । 
(contracted; show full)ন্দর মিয়া আমার জন্ম উপজেলা জগন্নাথপুরের তেরাউতিয়া গ্রামের লোক । আমার জন্মগ্রামও একই উপজেলার লদরপুর গ্রামে । পীর শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়া তার পূর্বসূরী মরমী মহাজনদের একজন সফল উত্তরসূরী । তার রচিত গানগুলো একদিন একদিন মূল্যায়ন হবে অবশ্যই । আমি ইসকন্দর গীতির বহুল প্রচার কামনা করি । (সুত্র; '''ইসকন্দর গীতি''') <ref name="স্মারক" />


'''মতিয়ার রাহমান চৌধুরী''' সিলেটি নাগরী লিপির গবেষক ও দেশ বিদেশে খ্যাতিয়মান সাংবাদিক<br /> 
[[File:Matiar Rahman.jpg|50px| thumb|মতিয়ার রাহমান চৌধুরী]]
পীর শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়ার কথা লিখতে গিয়ে লিখেছেন; তিনি একাধারে একজন সাধক, গায়ক, মরমী কবি ও প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। শাহ ইসকন্দর মিয়া খুব ভালবাসতেন বঙ্গবন্ধুকে । আর এই শোকের মাস আগষ্টেই তাঁকে চলে যেতে হল না ফেরার দেশে । বহুগুণে গুণাম্বিত এই মানুষটি জীবনের বেশীর ভাগ সময় বিলেতে কাটিয়েও ভুলেননি নিজের সংস্কৃতি । তাঁর লিখা '''ইসকন্দর গীতি''' সর্বমোট তের খণ্ড বইয়ে তিনি লিখেছেন দেড় হাজারেরও বেশি গান । পীর শাহ ইসকন্দর মিয়ার রচিত গানে একজন ভাবুকের হৃদয় নিঙারানো ভাব ও ভাষা বিদ্যমান --- । <ref name="স্মারক" />


'''গবেষক, অধ্যাপক আতাউর রহমান''' সাবেক প্রিন্সিপাল [[সিলেট]] [[মদনমোহন কলেজ]] ও [[বিশ্ববিদ্যালয়]]<br />
পীর শাহ ইসকন্দর মিয়ার গানের সমালোচনা করতে গিয়ে তাঁকে একজন বস্তুবাদী কবি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন । পীর শাহ ইসকন্দর মিয়ার সেই বিখ্যাত গানটি হলঃ<br />

আমার মনের দুঃখ কাহারে সুধাই<br />
বন্ধু, তর প্রেমের আগুনে, <br />
পুড়ে পুড়ে হইয়া গেলাম ছাই ।<br />

তুমি আমায় ভিন্ন বেসে <br />
ভুইলা রইলায় পরবাসে-রে ।<br />
অঙ্গ কালা প্রেমের বিষে <br />
কি দিয়া জ্বালা নিভাই ।<br />

যেই অবধি তোমায় ছাড়া <br />
দুই নয়নে বহে ধারা-রে ।<br />
ইসকন্দর হইলাম সারা <br />
কোথায় গেলে তোমায় পাই ।  (সুত্র; '''ইসকন্দর গীতি''')  <ref name="স্মারক" />[[File:Syed Mustafa Kamal.jpg|50px|thumb|Syed Mustafa Kamal]]

[[সৈয়দ মোস্তফা কামাল]] ইতিহাস সন্ধানি মরমী গবেষক<br />  
শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়া সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেছেন 'পীর ইসকন্দর মিয়ার গানে ঈশারা করে তিনি একজন এশকের আশিক, ভাবের ভাবুক ।' আমার মতে ইসকন্দর মিয়া একজন ভাবুক কবি, সূফি সাধক ও দেশপ্রেমিক ।  তাঁর প্রতিটি গানে উঠে এসেছে ইহকাল ও পরকালের ভাবনা, দেশপ্রেম এবং সমসাময়িক বিষয়াদি । আর এ কারণেই তিনি চির কাল বেঁচে থাকবেন তাঁর সৃষ্টিকর্মের মাঝে । <ref name="moromi manosh" /><ref name="স্মারক" />


'''ডঃ মমিনুল হক''' <br />
(contracted; show full)
পীর মোহাম্মদ শাহ ইসকন্দর মিয়া নিজের গানের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবেন চিরকাল চিরদিন। তার ভাষায়-<br />
প্রাণের কথা গানে লিখে দরবারে আরজ জানাই<br />
মৌলা ছাড়া ইসকন্দরের ফরিয়াদের জায়গা নাই । <ref name="স্মারক" /> <ref name="বাসিয়া" />




==শাহ মোহাম্মদ ইসকন্দর মিয়ার গান সমুহ==
পীর মোহাম্মদ শাহ ইসকন্দর মিয়ার তের খণ্ডে রচিত গানের সংখ্যা দুই হাজারেরও অধিক।  ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে '''ইসকন্দর গীতি''' প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়  ১০১টি গান নিয়ে দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১১৪টি গান নিয়ে। পরে সংশোধিত আকারে ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে ১০১টি গান নিয়ে ইসকন্দর গীতি দ্বিতীয়বার পুনঃমুদ্রণ করা হয়। ইসকন্দর গীতি দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড একত্রে প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। দ্বিতীয় খণ্ডে গানের সংখা ১১৪টি ও তৃতীয় খণ্ডে গানের সংখ্যা ১১৫টি। ইসকন্দর গীতি চতুর্থ ও পঞ্চম খণ্ড একত্রে প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালের মে মাসে।  চতুর্থ খণ্ডে গানের সংখ্যা ১৩৩টি আর পঞ্চম খণ্ডে গানের সংখ্যা ১৪৫টি।<br />
[[ইসকন্দর গীতি প্রথম খণ্ড]]<br />
[[ইসকন্দর গীতি দ্বিতীয় খণ্ড]]<br />
[[ইসকন্দর গীতি তৃতীয় খণ্ড]]<br />

==তথ্য সুত্র==
<references/>



[[বিষয়শ্রেণী:সিলেট জেলার ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:সুফি]]
[[বিষয়শ্রেণী:সিলেট গীতিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাধক]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি গীতিকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সুরকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লোকসংগীত]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী সাহিত্যিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী কবি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাউল গান]]