Revision 1554528 of "বড়ভাটরা" on bnwiki

{{nn|date=নভেম্বর ২০০৯}}
{{cleanup|date=নভেম্বর ২০০৯}}

[[চিত্র:Barovatra.jpeg|thumb|right|বড়ভাটরা গ্রামের প্রাকৃতিক দৃশ্য]]
[[চিত্র:Hatashe Channel.JPG|thumb|right|বড়ভাটরা গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা খালের ছবি]]

[[চিত্র:Hatashe Channel3.jpg|thumb|right|বড়ভাটরা গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা খালের ছবি]]
গোপাগঞ্জের মুকসুদপুর থানার অন্তর্গত ননীক্ষীর ইউনিয়নের অধীনে একটি গ্রাম '''বড়ভাটরা'''। আয়তন আনুমানিক ৩.৪৩ বর্গ কিলোমিটার। গ্রামটির শিক্ষার হার খুবই ভাল (৮৭.৮০%), মানুষ উন্নত প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করছে কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় গ্রামটিতে এখনো বিদ্যুতের ছোয়া পৌছায়নি বললেই চলে। এই গ্রামে কোন কৃত্রিম দর্শনীয় স্থান নেই বললেই চলে। তবে পাশের গ্রাম ননীক্ষীরে শতশত বছরের পুরোনো মন্দির আছে । "ননীক্ষীর নবরত্ম টেম্পল, এ ফাইন এক্মাম্পল অফ টেরাকোট্টা আর্ট ইন বাংলাদেশ" এই শিরোনামে কলকাতা থেকে প্রকাশিত দুটি বইও আছে। বড়ভাটরাতে দর্শণীয় বলতে একটি বিশাল খাল যা জলিরপাড়ের বিল রুট ক্যানেলের সাথে মিলিত হয়ে পদ্মা নদীতে গিয়ে মিশেছে, আছে চোখ জুড়ানো বিস্তীর্ন মাঠের পর মাঠ যাতে বিভিন্ন সময়ে ধান ও পাটের চাষ হয়, বিখ্যাত "কালিয়ার দহ" বিল যা পীট কয়লা আর মাছ চাষের জন্য বিখ্যাত। গ্রামটির কিছু দূরেই আছে বাংলাদেশের বিখ্যাত বিল "চান্দার বিল" যেখানে প্রায় তিন হাজার ট্রিলিয়ন টন কয়লা মজুদ আছে। আরো আছে সনভিটা নামে উচু এক স্থান যা প্রায় বিলুপ্তির পথে।

== ইতিহাস ==
বড়ভাটরা গ্রামটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সম্ভবত ১৬৩৪ সালে যখন ননীক্ষীর ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়। এই গ্রামের আছে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্ব গাঁথা ইতিহাস। আরো আছে কিছু রাজাকার যারা এখনো নি:লজ্জ ভাবে মুখ উচিয়ে ঘুরে বেড়ায়।

== উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব ==

টিভি অভিনেত্রী তানভীন সুইটি বড়ভাটরা গ্রামের মেয়ে।

বড়ভাটরার কয়েক কিলোমিটার দুরেই বেজরা ভাটরা যাকে ছোট ভাটরাও বলা হয় যেই গ্রামটি বর্তমান সরকারের বানিজ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের পিতৃভমি।

হায়দার আলী তালুকদার একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং আশির দশকে পার্বত্য খাগড়াছড়িতে আদিবাসী পুর্নবাসন প্রকল্পের চেয়ারম্যান ও পরে মাটিরাঙ্গা উপজেলার চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন তিনি সেখানে গভীর অরন্য পরিষ্কার করে পলাশপুর গ্রাম প্রতিষ্ঠা করে স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, রাস্থা তৈরি করেন। আর বর্তমানে তিনি কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীনে কর্মরত আছেন।

== বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ==
বড়ভাটরা গ্রামটি প্রায় পাচটি মহল্লা নিয়ে গঠিত। এই গ্রামে একটি প্রাইমারী স্কুল ও একটি আলিয়া মাদ্রাসা আছে। প্রায় দশ থেকে বারটি মসজিদ, একটি ফ্যামেলি প্লানিং সেন্টার। আরো আছে বিভিন্ন এনজিও'র পরিচালনায় বেশ কিছু কমিউনিটি স্কুল। আছে উষসী বড়ভাটরা সাংস্কৃতিক পরিষদ যারা বিভিন্ন সময়ে নাটক ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করে থাকে।

== অনুষ্ঠান ==
গ্রামে বছরে কয়েকবার বিশেষ করে যখন চাষীদের ফসল ওঠা শেষ হয় তখন নিয়মিত যাত্রা, পালা গান, গাজী-কালুর গানের আসর বসে থাকে।

== আরও দেখুন ==

== তথ্যসূত্র ==
{{reflist}}

[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের গ্রাম]]