Revision 3120859 of "খানকাহ্ এমাদিয়া কালান্দারিয়া" on bnwiki

{{db-spam}}
{{DISPLAYTITLE:খানকাহ এমাদিয়া কালান্দারিয়া}}

{{Infobox religious building
| name                  = খানকাহ এমাদিয়া কালান্দারিয়া
| native_name           = 
| native_name_lang      = "en"
| image                 = [[File:Khanquah Emadia Qalandaria.jpg|thumb|center]]
| image_upright         = 
| alt                   = খানকাহ এমাদিয়া কালান্দারিয়া
| caption               = খানকাহ এমাদিয়া কালান্দারিয়া
| map_type              = 
| map_size              = 
| map_alt               = 
| map_relief            = 
| map_caption           = 
| coordinates           = 
| coordinates_footnotes = 
| religious_affiliation = সুফিজম্
| locale                = 
| location              = মঙ্গল তালাব
| deity                 = 
| rite                  = 
| sect                  = 
| tradition             = 
| festival              = <!-- or | festivals = -->
| cercle                = 
| sector                = 
| municipality          = 
| district              = পাটনা
| territory             = 
| prefecture            = 
| state                 = বিহার
| province              = 
| region                = 
| country               = ভারত
| administration        = 
| consecration_year     = 
| organisational_status = <!-- or | organizational_status = -->
| functional_status     = 
| heritage_designation  = 
| ownership             = 
| governing_body        = 
| leadership            = 
| bhattaraka            = 
| patron                = হযরত মাওলানা আলহাজ্ব সায়্যিদ শাহ্ মিসবাহ্ উল হক এমাদি
| website               = http://www.khanquahemadia.org
| architect             = 
| architecture_type     = 
| architecture_style    = 
| founded_by            = মাহবুবে রাব্বুল আলামীন হযরত খাজা এমাদউদ্দীন কালান্দার বাদশাহ (রাঃ)
| creator               = 
| funded_by             = 
| general_contractor    = 
| established           =  1693  (1104হিঃ)
| groundbreaking        = 
| year_completed        = 
| construction_cost     = 
| date_demolished       = <!-- or | date_destroyed = -->
| footnotes             = 
}}


[[ভারতীয় উপমহাদেশ|উপমহাদেশের]] মাশায়েখে তরীকতগণ দীন ইসলামের প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এবং তাঁদের ত্যাগের বিনিময়ে হিন্দুস্থান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ইসলামের আলো প্রজ্জলিত হয়েছে। তরীকতের চারটি খান্দান তথা '''[[কাদেরিয়া তরিকা|কাদেরিয়া]], [[চিশতিয়া তরিকা|চিশ্তিয়া]], [[সোহরাওয়ার্দিয়া ত্বরিকা|সোহরাওর্য়াদিয়া]], [[নকশবন্দি তরিকা|নকশ্ববন্দিয়া]]''' এবং এর চৌদ্দটি শাখা প্রশাখার কামালিয়াত হল, উপমহাদেশের প্রতিটি কোনায় কোনো না কোনো বুযুর্গের আস্তানা অথবা দরবার দৃষ্টিগোচর হয়। তরীকতের সিলসিলাসমূহের মধ্যে [[কাদেরিয়া তরিকা|কাদেরীয়া]] এবং '''[[চিস্তিয়া|চিশ্তিয়া]]''' সিলসিলা উপমহাদেশে অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। চিশতিয়া সিলসিলার উৎপত্তিস্থল উপমহাদেশের বাইরে হলেও সুলতানুল হিন্দ খাজায়ে খাজেগান [[মইনুদ্দিন চিশতী|খাজা মঈনউদ্দিন হাসান]] সানজারী চিশতী আজমেরী (রাঃ) এবং তাঁর খলীফাগণের মাধ্যমে  এই সিলসিলা ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্থানে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। কাদেরিয়া সিলসিলা হিন্দুস্থানে মেহমান হিসেবে এসেছে। সমস্ত সিলসিলার মধ্যে [[কাদেরিয়া তরিকা|কাদেরিয়া]] সিলসিলার অবস্থান আউলিয়ায়ে কেরামদের মাঝে কুতুবে রব্বানী মাহবুবে সুবহানী সায়্যিদ মহিউদ্দিন আব্দুল কাদের জিলানী (রাঃ)-এর মত শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার। তাঁর পবিত্র সিলসিলা তাঁর মতই মর্যাদার আসনে সমাসীন। হিন্দুস্থানে কাদেরিয়া সিলসিলার আগমন হিজরী সপ্তম শতাব্দীতে হয়েছে। তখন এই সিলসিলার কয়েকজন মাশায়েখ উপমহাদেশে আগমন করেন এবং এতদ অঞ্চলে মারেফাত ও হেদায়েতের আলোকে প্রজ্জলন করেন। এদের মাঝে হযরত সায়্যিদ নূর উদ্দীন মোবারক গজনভী, হযরত সায়্যিদ মোহাম্মদ গাউস কাদেরী হাল্বী জিলানী, হযরত সায়্যিদ বাহাউদ্দিন ভাওল শের কালান্দার,  হযরত সায়্যিদ তাজ উদ্দিন মাহমুদ কাদেরী (হযরত সায়্যিদ কুমাঈস্ কাদেরীর পূর্বপুরুষ), হযরত সায়্যিদ আমির মোহাম্মদ কাদেরী বাগদাদী আমঝারি, হযরত সায়্যিদ আতাউল্লাহ বাগদাদী, হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী প্রমূখ উল্লেখযোগ্য।

== '''ভারতে কাদেরিয়া সিলসিলার আগমন''' ==
হিন্দুস্থানে আগত কাদেরিয়া সিলসিলার সর্বপ্রথম বুযুর্গ এবং শায়খে ত্বরীকত হলেন হযরত '''সায়্যিদ নূর উদ্দীন মোবারক গজনভী (রাঃ)'''। তিনি '''শায়খ শিহাব উদ্দিন সোহরাওয়ার্দী''' এর খলীফা ছিলেন। হযরত শায়খ '''আব্দুল হক মোহাদ্দিসে দেহলভী''' (রহঃ) '''‘আখবারুল আখইয়ার’''' গ্রন্থে এবং হযরত আব্দুর রহমান '''‘মারআতুল আসরার’''' গ্রন্থে সায়্যিদ নূর উদ্দিন মোবারক গজনভীর আলোচনা করে লিখেন, “তিনি দিল্লির শায়খ এবং সর্বজন অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি কাদেরিয়া সিলসিলার ফয়েজ ও বরকত দ্বারা আপামর জনসাধারণকে সিক্ত করেন এবং '''ভারতবর্ষে কাদেরিয়া সিলসিলার ভিত্তিস্থাপন করেন'''”। সায়্যিদ নূর উদ্দীন মোবারক পহেলা মুহাররম ৬৩২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মাজার দিল্লিতে ‘হাউযে শামসী’র পূর্ব দিকে অবস্থিত। হযরত নূরউদ্দিন মোবারক গজনভীর ইন্তিকালের পর তদিয় পুত্র হযরত '''নেযাম উদ্দিন গজনভী''' পিতার স্থলাভিষিক্ত হয়ে ত্বরিকতের ধারাবাহিকতা চালু রাখেন। তারপর তদিয় পুত্র হযরত সায়্যিদুস সাদাত কুতুবুল আরেফিন নাজ্মউদ্দিন গাউসুদ্দাহর গজনভী পিতার স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ৬৩৭ হিজরীতে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ৮৩৭ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। দুইশত বছরের দীর্ঘ জীবনকালে তিনি বহু মাশায়েখের সংস্পর্শে আসেন। এসময়েই ত্বরীকতের সমস্ত পন্থা এবং [[তাসাউফ|তাসাউওফের]] সমস্ত সিলসিলা ভারতবর্ষের কোনে কোনে চমকাতে থাকে। তাঁর দরবার সমস্ত মারেফাত পিয়াসীদের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। হযরত নাজ্মুদ্দীন কালান্দার গজ্নভী সমস্ত সিলসিলায় দিক্ষা লাভ করেন। তিনি হযরত '''আব্দুল আযীয্ আল-মাক্কি কালান্দার'''-এর খলিফা '''হযরত খিযির রুমী কালান্দর''', হযরত মাহবুবে ইলাহী নিযামুুদ্দীন আওলিয়া এবং নিজ পিতা সায়্যিদ নিযামুদ্দীন গজনভী (রাঃ) থেকে কালান্দরিয়া, উলুইয়্যাহ, তায়ফুরিয়্যাহ, চিশতিয়া কুত্বিয়্যা, চিশতিয়া নেযামিয়া, কাদেরিয়া এবং সোহরাওয়ার্র্দিয়া সিলসিলাসমূহের ইযাযত ও খিলাফত প্রাপ্ত হন। কাদেরিয়া তাঁর পিতৃকূলের সিলসিলা। নবী করিম (সাঃ)-এর আদেশপ্রাপ্ত হয়ে তিনি জৈনপুর গমণ করেন এবং হযরত কুত্ববুদ্দিন বিনাদিল সারান্দাজ গাওসি এর তারবিয়াতে নিমগ্ন হন। অবশেষে তিনি হযরত কুত্ববুদ্দিন কে তালিম ও তারবিয়াত প্রদান শেষ করে তাকে খেলাফত প্রদান করেন। কুত্ববুদ্দীন বিনাদিল হযরত নাজ্মুদ্দীন কালান্দারের নিকট হতে ইযায্ত ও খিলাফতপ্রাপ্ত হয়ে তালিম ও তারবিয়াতে আত্ননিমগ্ন হন। তাঁর মাধ্যমেই ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের খানকাহ্সমূহে কাদেরিয়াসহ অন্যান্য সিলসিলাসমূহের প্রচলন ঘটে। 

== '''খানকাহ্ এমাদিয়ার প্রতিষ্ঠা''' ==
এধরণের খানকাসমূহের মধ্যে বিহার পাটনার মঙ্গলতালাব খানকাহ্ এমাদিয়া  কালান্দারিয়া অন্যতম। যার প্রতিষ্ঠাতা হলেন জামেউত্ ত্বরীকুল মোস্তাফা '''মাহবুবে রাব্বুল আলামীন হযরত খাজা এমাদউদ্দীন কালান্দার বাদশাহ'''। তিনি হযরত ফাযেল্ কালান্দার এর মুরীদ ও খলিফা ছিলেন। এমাদুদ্দীন কালান্দারকে তাঁর পীর ও মুর্র্শিদ বাদশাহ্ উপাধী প্রদান করেছেন। তাঁর সারাজীবন পথপ্রদর্শন ও সৃষ্টির সেবায় অতিবাহিত হয়েছে। বহু তরীকত আকাংক্সক্ষীদের জীবন তিনি ধন্য করেছেন। বহু লোক তাঁর সংস্পর্শে ও শিক্ষাগ্রহণে মারেফাতের উঁচু মাকাম অজর্র্নে সক্ষম হয়। তিনি লাহোর, দিল্লি, বিহার ইত্যাদি বহু স্থানে তরিকত ও মারেফতের শিক্ষাদান করেছেন। অবশেষে পাট্নার ফুলবাড়ী শরীফ যা প্রায় দুুইশত বছর ধরে তাঁর পিতৃনিবাস, সেখানে তিনি থিতু হন। তিনি সেখানে তাসাউওফের এমন প্রদীপ জ্বালিয়েছেন যা আজ অবধি তাঁর খানকাহ্ থেকে বের হয়ে পূর্ণ পৃথিবীকে আলোকিত করছে। প্রসিদ্ধ বুযুর্গ কুত্বুবুল আওলিয়া তাজুল আরেফিন হযরত শাহ্ পীর মুজিব উল্লাহ্ কাদেরী কালান্দারী (১০৯৫-১১৯১ হিঃ) হযরত খাজা এমাদ উদ্দীন কালান্দার বাদশাহ (১০৬৫-১১২৪হিঃ) এর মুরিদ ও খলিফা ছিলেন। হযরত খাজা এমাদউদ্দিন কালান্দার বাদশাহ্ এবং তাঁর উত্তরসূরীদের দ্বারা ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে কাদেরিয়া সিলসিলার প্রসার হতে থাকে। বিশেষভাবে বিহার ও বাংলাদেশ কাদেরিয়া সিলসিলার সযত্নে লালিত বাগান যা খানকায়ে এমাদিয়া এবং সিলসিলায়ে এমাদিয়ার বুযুর্গদের রক্ত ও ঘামের বিনিময়ে ফুলে ফলে সুশোভিত হয়েছে। যাদের মধ্যে হযরত পীর মুজিবুল্লাহ্ কাদেরী, শামসুল আরেফীন শাহ্ গোলাম নক্শবন্দ সাজ্জাদ, হযরত আব্দুল হক কুত্ববে মুর্শিদাবাদ, হযরত নূরুল হক তাপাঁ আব্দাল, হযরত শামসুদ্দীন আবুল ফারাহ্ বাঙ্গাল, হযরত যুহুরুল হক মুহাদ্দিসে ফুলবাড়ী, হযরত শাহ্ সাবিহ্উল হক এমাদী জাফরী এবং হযরত সায়্যিদ শাহ্ ফরিদুল হক এমাদী প্রমুখ অন্যতম। খানকায়ে এমাদিয়া যদিও কালান্দারী বুযুর্গদের খানকাহ্ কিন্তু এই খানকাহ্ হতে কাদেরিয়া সিলসিলার ফয়েজ সব সময় চালু ছিল এবং কিয়ামত পর্যন্ত চালু থাকবে।

== '''বাংলাদেশে এমাদিয়া সিলসিলার আগমন''' ==
কাদেরিয়া সিলসিলাকে আরো ব্যাপক করার লক্ষ্যে হযরত খাজা এমাদউদ্দীন কালান্দার বাদ্শাহ্ এর অষ্টম স্থলাভিষিক্ত '''হযরত সায়্যিদ শাহ সাবিহুল হক এমাদী ১৯৬১''' খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ আগমন করেন। প্রায় ১৪ বছর পর্যন্ত সৈয়দপুর ও রাজশাহীতে এসে তিনি মানুষকে ত্বরীকত ও মারফতের দীক্ষাদান করেন। লোকদের কাদেরিয়া সিলসিলার বাইয়াত করতেন। বাংলাদেশের জনগণ তাঁর আগমনের প্রতীক্ষায় থাকতো। যখনই তিনি বাংলাদেশ আগমন করতেন তখন পুরো সৈয়দপুর শহর ও দূরদূরান্ত থেকে লোকেরা তাঁর খেদমতে দোয়া ও এস্লাহের জন্য আগমন করতো। সৈয়দপুর হযরতের অবস্থানস্থল '''‘আস্তানায়ে হক্’''' লোক সমাগমে সর্বদা ভরপুর থাকতো এবং তিনি '''কাদেরিয়া কালান্দারিয়া ফয়েজ্''' দ্বারা সকলকে সৌভাগ্যমন্ডিত করতেন। ৮ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৫ খ্রিঃ তাঁর ওফাতের পর তদীয় পুত্র '''সায়্যিদ শাহ্ ফরিদুল হক্ এমাদি''' আত্মশুদ্ধি ও মারেফাতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার গুরু দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাংলাদেশে এখনো এই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। তিনি সৈয়দপুরে খানকাহের ভিত্তি স্থাপন করেন যার সাথে একটি মাদ্রাসাও নির্মাণ করা হয়। প্রতি বছর একাধিকবার সৈয়দপুর ও রাজশাহী যাতায়াত করতেন। সৈয়দপুরে এমাদিয়া কাদেরিয়া কালান্দরিয়া সিলসিলা স্থায়িত্ব পেল। সৈয়দপুরে তাঁর নসীহতসমূহের চর্চা হতে থাকল। ১৭ মার্চ ২০০১ খ্রিঃ তাঁর ইন্তেকালের পর তদীয় পুত্র ও খলীফা '''হযরত মাওলানা আলহাজ্ব সায়্যিদ শাহ্ মিসবাহ্ উল হক এমাদি''' স্থলাভিষিক্ত হন। আলহাজ্ব সায়্যিদ শাহ্ মিসবাহ্ উল হক এমাদি পিতার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর সিলসিলায়ে কাদেরিয়ার প্রসারে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি যেমনিভাবে পাটনার খান্কায়ে এমাদিয়ার গুরু দায়িত্ব আদায় করছেন তেমনিভাবে খানকায়ে সৈয়দপুরের দায়িত্বও সূচারুরূপে আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন। বছরে একাধিকবার সৈয়দপুর এসে এখানকার দেখাশুনা করেন এবং মাদ্রাসার উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি বাংলাদেশের অন্যান্য খানকাহের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় সৈয়দপুরের বাহিরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা এবং শহরের সিলসিলায়ে এমাদিয়ার প্রচার ও প্রসার ঘটে। হযরত রাঈসুল মাশায়েখ্ বাংলাদেশে বিশেষত: সৈয়দপুরে সূফি-সাধকদের বিচ্ছিন্ন অবস্থা এবং সুন্নাতের তাবলীগের অপ্রতুলতা উপলদ্ধি করেন। তাই তিনি আজিমুশ্বান সুন্নি কনফারেন্সের পরিকল্পনা করেন এবং এ ব্যাপারে এখানকার উলামা-মাশায়েখদের সাথে মতবিনিময় করে সকলের ঐক্যমতে সুন্নি কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত নেন। সে অনুযায়ী ২০ মে ২০১৭ খ্রিঃ সৈয়দপুরে আজিমুশ্বান আন্তর্জাতিক সুন্নি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। যার ধারাবাহিকতায় ১৯ মার্চ ২০১৮ খ্রিঃ এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্স “ইমামে আযম আবু হানিফা (রহঃ) আন্তর্জাতিক কনফারেন্স” হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। খানকাহ্ এমাদিয়া সর্বদা জনগনের সেবা ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে ঢাকায় “এমাদিয়া ফাউন্ডেশন” প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর সদস্যগন হযরতের পরামর্শ অনুযায়ী বিবিধ উন্নয়ন কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন। খানকাহ্ এমাদিয়ার বর্তমান সাজ্জাদাণশীন হুজুর নিজের পূর্বসুরী বুযুর্গদের প্রদর্শিত পন্থায় ভারত ও বাংলাদেশে ইলমি, দীনি, জাতীয়, সামাজিক এবং রুহানী খেদমত আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন।



__নির্ঘণ্ট__
__নতুন_অনুচ্ছেদের_সংযোগ__
{{DEFAULTSORT:খানকাহ এমাদিয়া কালান্দারিয়া}}
__FORCETOC__
__কোনসম্পাদনাঅনুচ্ছেদনয়__