Difference between revisions 6549 and 6550 on bnwikibooks

মাতৃভাষার কোন বিকল্প হতে পারে না। মাতৃভাষার মাধ্যমে কোন বিষয় শিক্ষা গ্রহন খুব দ্রুত বোধগম্যতার গভীরে প্রবেশ করতে পারে। প্রকৃতপক্ষে যখন আমরা নিজ ভাষাকে স্বাভাবিক ভাবে ব্যবহার করতে থাকি তখন কিন্তু আমাদের মনে ভাষা কি বা ভাষার উৎপত্তি সর্ম্পকে মনে কোন প্রশ্নই জাগে না। সেই সপ্তদশ শতাব্দীর কবি আবদুল হাকিম নিজ স্বদেশী ভাষা কবিতা লিখেছিলেন। মাতৃভাষার প্রতি আবেগময়তা এবং আনুগত্য নিম্নের কবিতা থেকে সুস্পষ্ট হয়: 
                                                                  দেশী ভাষা বিদ্যা যার মনে ন জুয়ায় ।
(contracted; show full)

একটি ভাষার খুব গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে স্ব-শাসিত ব্যাকারণ(Autonomous grammar)। বাংলা ভাষায় যে ব্যাকরণ তা স্ব-শাসিত নয়। এই ব্যাকরণ ঐতিহ্যগত এবং সংস্কৃত ভাষার ব্যাকরণের কাঠামোতে বাংলা ভাষাকে প্রবিষ্ট করানো হয়েছে। ফলে, বাংলা ভাষার নিজস্ব বৈশিষ্ট সমূহ কখনোই এই ব্যাকরণে ফুটে উঠে নি। বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়(১৮৩৮-১৮৯৪) বাঙ্গালা ভাষা প্রবন্ধে উল্লেখ করেছিলেন <blockquote>“ 
--[[ব্যবহারকারী:Dhali mohsin|Dhali mohsin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dhali mohsin|আলাপ]]) ১৯:৩৮, ৮ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)--[[ব্যবহারকারী:Dhali mohsin|Dhali mohsin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dhali mohsin|আলাপ]]) ১৯:৩৮, ৮ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)এই সংস্কৃতপ্রিয়তা এবং সংস্কৃতানুকারিতা হেতু বাঙ্গালা সাহিত্য অত্যন্ত নীরস ,শ্রীহীন, দুর্বল; এবং বাঙ্গালা সমাজে অপরিচিত হইয়া রহিল। টেকচাঁদ ঠাকুর প্রথমে এই বিষবৃক্ষের মূলে কুঠারাঘাত করিলেন। তিনি ইংরেজিতে সুশিক্ষিত। ইংরেজিতে প্রচলিত ভাষার মহিমা দেখিয়া ছিলেন এবং বুঝিয়াছিলেন। তিনি ভাবিলেন, বাঙ্গালার প্রচলিত ভাষাতেই বা কেন গদ্যগ্রন্থ রচিত হইবে না ? যে ভাষায় সকলে কথোপকথন করে, তিনি সেই ভাষায় “আলালের ঘরের দুলাল” প্রণয়ন করিলেন। সেই দিন হইতে বাঙ্গালা ভাষার শ্রীবৃদ্ধি। সেইদিন হইতে শুষ্ক তরুর মূলে জীবন বাড়ি নিষিক্ত হইল।”</blockquote> 
(অসমাপ্ত)
--[[ব্যবহারকারী:Dhali mohsin|Dhali mohsin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dhali mohsin|আলাপ]]) ১৯:৪১, ৮ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)
তথ্যসুত্র:
<ref>বাঙ্গালা ভাষা :বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়</ref>
<ref>বাংলা ভাষা পরিচয়:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</ref>
<ref>আধুনিক ভাষা তত্ত্বের পরিচয়:আজিজুল হক</ref>