Difference between revisions 49297 and 49298 on bnwikisource{{header | title = আদিপুস্তক | author = | override_author= | section = [[../|মুক্ত বাইবেল]] | previous = [[../|মুক্ত বাইবেল]] | next = [[../যাত্রাপুস্তক|যাত্রাপুস্তক]] | notes = }} ==পরিচ্ছেদ ১== {{chapter।|১}} {{verse।|chapter=১।|verse=১}} সৃষ্টির শুরুতে ঈশ্বর আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করলেন। {{verse।|chapter=১।|verse=২}} পৃথিবীর উপরিভাগ তখনও কোন বিশেষ আকারপ্রাপ্ত হয়নি, আর তার মধ্যে জীবন্ত কিছুই ছিল না; তার উপরিভাগ ছিল অন্ধকাচ্ছন্ন ও গভীর জল। ঈশ্বরের আত্মা সেই জলের উপরে চলাফেরা করছিলেন। {{verse।|chapter=১।|verse=৩}} তিনি দেখলেন তা চমৎকার হয়েছে। তিনি অন্ধকার থেকে আলোকে পৃথক করে আলোর নামকরণ করলেন দিন আর অন্ধকারের নামকরণ করলেন রাত্রি। {{verse।|chapter=১।|verse=৪}} এইভাবে সন্ধ্যাও উত্তীর্ণ হল সকালও উত্তীর্ণ হল, আর সেটিই ছিল প্রথম দিন। আদিপুস্তক ১ ১ শুরুতে, ঈশ্বর আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করলেন। প্রথমে পৃথিবী সম্পূর্ণ শূন্য ছিল; পৃথিবীতে কিছুই ছিল না। ২ অন্ধকারে আবৃত ছিল জলরাশি আর ঈশ্বরের আত্মা সেই জলরাশির উপর দিয়ে ভেসে বেড়াচ্ছিল। ৩ তারপর ঈশ্বর বললেন, “আলো ফুটুক!” তখনই আলো ফুটতে শুরু করল। ৪ আলো দেখে ঈশ্বর বুঝলেন, আলো ভাল। তখন ঈশ্বর অন্ধকার থেকে আলোকে পৃথক করলেন। ৫ ঈশ্বর আলোর নাম দিলেন, “দিন” এবং অন্ধকারের নাম দিলেন “রাত্রি।”সন্ধ্যা হল এবং সেখানে সকাল হল। এই হল (contracted; show full)পুত্ররা জন্মাল এবং য়োষেফ তাও দেখে য়েতে পারলেন। ২৪ অন্তিম শয়্য়ায য়োষেফ তাঁর ভাইদের বললেন, “আমার মৃত্যুর সময় নিকট, কিন্তু আমি জানি ঈশ্বর তোমাদের যত্ন নেবেন এবং এই দেশ থেকে বের করে নিয়ে যাবেন সেই দেশে, য়ে দেশ তিনি অব্রাহাম ইসহাক ও যাকোবকে দেবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন।” ২৫ তারপর য়োষেফ তাঁর লোকদের একটি শপথ নিতে বললেন য়ে ঈশ্বর তাদের যখন নতুন দেশে নিয়ে যাবেন, তখন তারা য়েন তাঁর অস্থি বহন করে নিয়ে যায়। ২৬ য়োষেফ ১১০ বছর বয়সে মিশরে মারা যান। চিকিত্সকরা তাঁর দেহে ঔষধ দিয়ে মিশরে এক কফিনের মধ্যে রাখলেন। All content in the above text box is licensed under the Creative Commons Attribution-ShareAlike license Version 4 and was originally sourced from https://bn.wikisource.org/w/index.php?diff=prev&oldid=49298.
![]() ![]() This site is not affiliated with or endorsed in any way by the Wikimedia Foundation or any of its affiliates. In fact, we fucking despise them.
|