Difference between revisions 10789 and 17715 on bnwikivoyage{{পাতার ব্যানার}} '''জঙ্গলবাড়ি দূর্গ''' বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত ঈশা খাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাবিশেষ। মসনদে-আলা-বীর ঈশা খাঁ ছিলেন বাংলার বার ভূঁইয়াদের প্রধান। ঈশা খাঁর জঙ্গলবাড়ি প্রকৃতপক্ষে ঈশা খাঁর দ্বিতীয় রাজধানী ছিল। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর কর্তৃক তালিকাভুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। == জানুন == ঈশা খাঁ’র আদি নিবাস আফগানিস্তান। মুঘল ও ইংরেজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ বাংলার জমিদারগণ তাকে গোয়েন্দা মারফতে বাংলায় আসার সংবাদ পাঠালে তিনি ১৪০০ ঘোড়সওয়ার, ২১টি নৌবিহার ও গোলাবারুদ নিয়ে ত্রিপুরা রাজ্যে পৌঁছান। ১৫৮৫ সালে তৎকালীন কোচ রাজা লক্ষ্মণ হাজরা ও রাম হাজরাকে পরাজিত করে জঙ্গলবাড়ি দূর্গ দখল করেন। কোচ রাজা লক্ষ্মণ হাজরা বা ঈশা খাঁর কেউ এই দূর্গের স্থপতি নয়। এটি প্রাক-মুসলিম যুগে নির্মিত বলে ধারনা করা হয়। তবে ঈশা খাঁ দূুর্গ দখল করার পর এর ভিতরে কিছু স্থাপনা নির্মাণ করেন। এই দূুর্গ থেকে পরে তিনি একে একে সোনারগাঁওসহ মোট ২২টি পরগণা দখল করেন। ১৫৯৭ সালে তিনি পাকুন্দিয়ার এগারসিন্দুরে মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি মানসিংকে পরাজিত করেন। ==কীভাবে যাবেন== কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলাধীন কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের জঙ্গলবাড়ি গ্রামে নরসুন্দা নদীর তীরে দূর্গটির অবস্থান। ঢাকার গুলিস্তান [অনন্যা সুপার, যাতায়াত], সায়েদাবাদ থেকে [ঈশাখাঁ এক্সক্লুসিভ], এবং মহাখালী [কিশোরগঞ্জ ট্রাভেলস, অনন্যা পরিবহন, অনন্যা ক্লাসিক, এগারসিন্দুর, হাওড় বিলাস] থেকে প্রতি দিন কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে বাস ছাড়ে। তাছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে এগারসিন্দুর এক্সপ্রেস এবং ১০ টায় কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসে করে কিশোরগঞ্জ যাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জ আসার পর সাত কিলোমিটার বাস, অটো রিকশায় চেপে জঙ্গলবাড়িতে পৌঁছানো যাবে। == কী দেখবেন == দূর্গটিতে বর্তমানে উত্তর-দক্ষিণে লম্বা ইটের পাঁচিল দিয়ে ভাগ করা দুটি চত্বর রয়েছে। স্থানীয়রা পাঁচিলটি পরিচিতি ঘটান 'প্রাসাদ প্রাচীর' নামে। দক্ষিণ দিকে একটি তোরণ আছে। তোরণটির সামনের দিকে 'করাচি' নামে একটি পূর্বমূখী একতলা ভবন রয়েছে। তোরণের পিছনে 'অন্দর মহল' নামে এক তলা দক্ষিণমুখী একটি ভবন রয়েছে। পুরো ইটের দেওয়াল চুনকামসহ লেপন দিয়ে ঢাকা। দক্ষিণ, পশ্চিম ও উত্তর দিকে গভীর পরিখা খনন করা আছে। পরিখাটিকে পূর্বদিকে নরসুন্দা নদীর সাথে সংযুক্ত করা হয়। বাড়ির সামনে ঈশা খাঁর সময়ের খনন করা একটি দীঘি আছে। তার পাশেই আছে একটি তিনগম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। ধারণা করা হয়, ঈশা খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। মসজিদটিতে রয়েছে মুঘল স্থাপত্যশৈলীর ছাপ। মসজিদের পাশেই ঈশা খাঁর বংশধরদের বাঁধানো কবর রয়েছে। ২০০৫ সালের ১২ জুন দূর্গের ভিতরের দরবারগৃহটি সংস্কার করে স্থানীয় প্রশাসন 'ঈশা খাঁ স্মৃতি জাদুঘর ও পাঠাগার' স্থাপন করে। সেখানে ঈশা খাঁর বিভিন্ন ছবি, তাঁর বংশধরদের তালিকা এবং বিভিন্ন নিদর্শন রয়েছে। {{এর অংশ|কিশোরগঞ্জ জেলা}} All content in the above text box is licensed under the Creative Commons Attribution-ShareAlike license Version 4 and was originally sourced from https://bn.wikivoyage.org/w/index.php?diff=prev&oldid=17715.
![]() ![]() This site is not affiliated with or endorsed in any way by the Wikimedia Foundation or any of its affiliates. In fact, we fucking despise them.
|