Difference between revisions 1390053 and 1390120 on bnwiki== শহীদ মশিউর রহমান == <gallery> [[File:Moshiur Rahaman.jpg|মশিয়ুর রহমান]] </gallery> মহান মুক্তিযুদ্ধে একমাত্র শহীদ সংসদ সদস্য চৌগাছার মশিয়ুর রহমান বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মউৎসর্গকারী সূর্য সৈনিকদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা । যারা দেশের জন্য জীবনে দিয়েছেন তাদের জীবন ও কর্মের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে অজানা এমন এক সূর্য সনৱান চৌগাছার কৃতিসনৱান শহীদ মশিয়ুর রহমান। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনিই একমাত্র শহীদ সংসদ সদস্য (এমএনএ)। যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে এদেশের মানুষকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখে পালিয়ে যাননি। সাধারণ মানুষের সাথে নিয়ে সংগ্রামে অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন । তৎকালীন প্রাদেশিক সরকারে প্রাক্তন মন্ত্রী,প্রখ্যাত আইনজীবি ও জেলা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ মশিয়ুর রহমান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর। ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম প্রত্যেকটিতে তিনি সোচ্চার ভ'মিকা পালন করেছেন। ৭১‘র ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকহানাদার বাহিনী যশোর শহরের নিজ বাসভবন থেকে তাকে যশোর সেনানিবাসে ধরে নিয়ে যায়। সেখানে আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন করে ২৩এপ্রিল হত্যা করে। পাক সেনারা তাঁর উপর অমানবিক নির্যাতন করলেও তিনি দেশ ও জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। মশিয়ুর রহমান ১৯১৭ সালের ফেব্রম্নয়ারী মাসে যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ ইসমাইল ও মাতার নাম ছৈয়দুন্নেছা। তার শিৰাজীবন শুরম্ন চৌগাছা (এম.ই) মিডিল ইংলিশ স্কুলে। এখানে ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যনৱ তিনি শিৰা গ্রহণ করেন। তারপর ১৯৩৬ সালে যশোর জিলা স্কুল থেকে মেট্টিক, কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে ১৯৩৮ সালে আই এ এবং বিএ পাস করেন। পরবর্তীতে ১৯৪৪ সালে কলকাতা লর্ড রিপন কলেজ থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্র জীবনেই তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর থেকে ১৯৭১ সাল পর্যনৱ সকল আন্দোলনে মশিয়ুর রহমান সোচ্চার ভ'মিকা পালন করেন। ছাত্র থাকাকালীন তিনি তৎকালীন এশিয়ার শ্রেষ্ট ব্যারিস্টার হোসন শহীদ সোহরাওয়াদীর সহচর হিসেবে কাজ করেন। তারপর তিনি ১৯৪৯ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন । তারপর ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটেন নির্বাচিত হন। তারপর প্রাদেশিক মন্ত্রীসভায় স'ানীয় সরকার এবং আইন ও বিচার বিভাগের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি রাজনৈতিক জীবনের আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৬৬ সালের ৬ দফা দাবি ও ৬৯‘র গণঅভ্যত্থানে নেতৃত্ব দেন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে এমএনএ (জাতীয় সংসদ সদস্য) নির্বাচিত হন। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে অসহযোগ আন্দোলন সংগ্রামে মশিয়ুর রহমান সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এজন্য ৭১‘র ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিসৱানি সৈনিকরা তাকে যশোর শহরের নিজ বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে যায়। যশোর সেনা নিবাসে আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে ২৩ এপ্রিল হত্যা করে। মৃত্যুর আগ পর্যনৱ তিনি দেশপ্রেমি নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য কাজ করেছেন। শত্রম্নদের কাছে মাথানত করেননি। দেশের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মউৎসর্গকারী শহীদ মশিয়ুর রহমান রহমানের প্রতি শ্রদ্বা নিবেদন করে তার নামে যশোরের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৯৭২ সালের ২৬ ডিস্বের যশোর পৌর উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ মশিয়ুর রহমানের স্মরণে একটি স্মৃতিসৌধের ফলক উন্মোচন করেন । এছাড়াও তার নামে ঝিকরগাছায় একটি কলেজ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্র হল,চৌগাছা ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন, ও তার জন্মভ'মি সিংহঝুলিতে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ বেশ কিছু ক্লাবের নাম রয়েছে।#REDIRECT [[মশিউর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা)]] All content in the above text box is licensed under the Creative Commons Attribution-ShareAlike license Version 4 and was originally sourced from https://bn.wikipedia.org/w/index.php?diff=prev&oldid=1390120.
![]() ![]() This site is not affiliated with or endorsed in any way by the Wikimedia Foundation or any of its affiliates. In fact, we fucking despise them.
|