Difference between revisions 3070801 and 3070807 on bnwiki

{{DISPLAYTITLE:খানকাহ এমাদিয়া কালান্দারিয়া}}

{{Infobox religious building
| name                  = খানকাহ এমাদিয়া কালান্দারিয়া
| native_name           = 
| native_name_lang      = "en"
| image                 = [[File:Khanquah Emadia Qalandaria.jpg|thumb|center]]
| image_upright         = 
(contracted; show full)েন। প্রায় ১৪ বছর পর্যন্ত সৈয়দপুর ও রাজশাহীতে এসে তিনি মানুষকে ত্বরীকত ও মারফতের দীক্ষাদান করেন। লোকদের কাদেরিয়া সিলসিলার বাইয়াত করতেন। বাংলাদেশের জনগণ তাঁর আগমনের প্রতীক্ষায় থাকতো। যখনই তিনি বাংলাদেশ আগমন করতেন তখন পুরো সৈয়দপুর শহর ও দূরদূরান্ত থেকে লোকেরা তাঁর খেদমতে দোয়া ও এস্লাহের জন্য আগমন করতো। সৈয়দপুর হযরতের অবস্থানস্থল '''‘আস্তানায়ে হক্’''' লোক সমাগমে সর্বদা ভরপুর থাকতো এবং তিনি '''কাদেরিয়া কালান্দারিয়া ফয়েজ্''' দ্বারা সকলকে সৌভ
্যাগ্যমন্ডিত করতেন। ৮ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৫ খ্রিঃ তাঁর ওফাতের পর তদীয় পুত্র '''সায়্যিদ শাহ্ ফরিদুল হক্ এমাদি''' আত্মশুদ্ধি ও মারেফাতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার গুরু দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বাংলাদেশে এখনো এই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। তিনি সৈয়দপুরে খানকাহের ভিত্তি স্থাপন করেন যার সাথে একটি মাদ্রাসাও নির্মাণ করা হয়। প্রতি বছর একাধিকবার সৈয়দপুর ও রাজশাহী যাতায়াত করতেন। সৈয়দপুরে এমাদিয়া কাদেরিয়া কালান্দরিয়া সিলসিলা স্থায়িত্ব পেল। সৈয়দপুরে তাঁর নসীহতসমূহের চর্চা হতে থাকল। ১৭ মার্চ ২০০১ (contracted; show full)এমাদিয়া সর্বদা জনগনের সেবা ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে ঢাকায় “এমাদিয়া ফাউন্ডেশন” প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর সদস্যগন হযরতের পরামর্শ অনুযায়ী বিবিধ উন্নয়ন কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন। খানকাহ্ এমাদিয়ার বর্তমান সাজ্জাদাণশীন হুজুর নিজের পূর্বসুরী বুযুর্গদের প্রদর্শিত পন্থায় ভারত ও বাংলাদেশে ইলমি, দীনি, জাতীয়, সামাজিক এবং রুহানী খেদমত আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন।



__নির্ঘণ্ট__
__নতুন_অনুচ্ছেদের_সংযোগ__
{{DEFAULTSORT:খানকাহ এমাদিয়া কালান্দারিয়া}}
__FORCETOC__
__কোনসম্পাদনাঅনুচ্ছেদনয়__